সন্ন্যাসী সেজে “‘অশান্তি দূর’ করার নাম করে লুট! নদীয়ায় রহস্যময় মহিলার কাণ্ডে চাঞ্চল্য”
সন্ন্যাসী সেজে “‘অশান্তি দূর’ করার নাম করে লুট! নদীয়ায় রহস্যময় মহিলার কাণ্ডে চাঞ্চল্য”
সন্ন্যাসী বেশে তিন দিন বাড়িতে থেকে অবশেষে পরিবারের সমস্ত সদস্যকে অচৈতন্য করে বাড়ির সর্বস্ব লুট করে পালালো এক মহিলা। ঘটনাটি নদীয়ার চাপরা থানার অন্তর্গত পিঁপড়াগাছি পঞ্চায়েতের চারাতলা গ্রামের। কার্তিক প্রামানিক নামে এক ব্যক্তি তার বাড়ির মঙ্গল কামনার জন্য নিজেকে সন্ন্যাসী দাবি করা এক মহিলাকে বাড়িতে এনে রাখেন তিন দিন ধরে। ওই মহিলা নাকি বলেছিলেন তার বাড়ির সমস্ত অশান্তি দূর করবেন তিনি। সেই বিশ্বাসের ওপর ভর করেই তিনদিন ধরে তার বাড়িতেই ছিলেন ওই মহিলা। এরপর আজ অর্থাৎ রবিবার সকাল থেকে বাড়ির কোন সদস্যদের সাড়াশব্দ না পেয়ে পাড়া-প্রতিবেশীরা বাড়িতে গিয়ে দেখেন বাড়ির দরজা খোলা ভেতরে সমস্ত আসবাবপত্র তছনছ অবস্থায় পড়ে রয়েছে। এবং বাড়ির পাঁচ জন সদস্যই অচৈতন্য অবস্থায় পড়ে রয়েছে। তখনই তারা অনুমান করেন বাড়ির সমস্ত টাকা পয়সা গয়নাগাটি দামি জিনিসপত্র নিয়ে চম্পট দিয়েছে ওই মহিলা। তৎক্ষণাত বাড়ির সদস্যদের জ্ঞান ফেরানোর চেষ্টা করলেও তারা ব্যর্থ হন। এর পরেই খবর দেওয়া হয় চাপরা থানার পুলিশকে। এবং তার পাশাপাশি পাঁচজন সদস্যকেই দ্রুত স্থানান্তর করা হয় কৃষ্ণনগর শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে, বেলা ১১ টা পর্যন্ত ও কার্তিক প্রামানিক ও তার বাড়ি সদস্যদের সম্পূর্ণভাবে জ্ঞান ফেরেনি বলেই হাসপাতাল সূত্রে খবর। সেই কারণেই এখনও পর্যন্ত পরিষ্কার নয় বাড়ি থেকে কি কি জিনিস চুরি হয়েছে। ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে তাদেরও কি করে গিয়েছে চাপড়া থানার পুলিশ, খোঁজ চালানো হচ্ছে অজ্ঞাত পরিচয় ওই মহিলার, তার পাশাপাশি সম্পূর্ণ ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই এই ঘটনার জেরে গোটা গ্রামে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।




